আজকে আমাদের আলোচনার বিষয়-বৃক্ষ পরিচর্যা।যা “বৃক্ষ রোপণ ও পরিচর্যা” এর অন্তর্ভুক্ত।
বৃক্ষ পরিচর্যা

১. চারা রোপণের পর বৃষ্টি না হলে ‘ঝরনা’ (Shower) সাহায্যে গোড়ায় পানি ছিটাতে হবে।
২. গরু, ছাগলের গ্রাস থেকে বাচাতে নিয়মিত গ্রহরার ব্যবস্থা রাখতে হবে। নয়তো বাঁশ বা লোহা দিয়ে তৈরি খাঁচা দিয়ে ঘিরে দিতে হবে।
৩. লক্ষ রাখতে হবে গাছ বেয়ে যেনো কোনো গাছ (লতা) লতিয়ে না উঠে এবং গোড়ায় আগাছা না জন্মায় জন্মালেও উপড়ে ফেলতে হবে।
৪. শীতকালে গাছের গোড়া ঠাণ্ডা রাখার জন্য মালচিং-এর ব্যবস্থা করতে হবে। অর্থাৎ গোড়ায় শুষ্ক খড়, লতা-পাতা, কচুরিপানা ইত্যাদি দিতে হবে।

৫. কোনো চারা অল্পদিনের মধ্যে মরে গেলে, সঙ্গে সঙ্গে সেখানে সবল চারা রোপণ করতে হবে।
৬. গাছের বৃদ্ধির জন্য সময় সময় অর্থাৎ কিছুদিন পর পর সার দিতে হবে।
৭. রোপণের এক মাস পর গাছের ঘোড়ার এক ফুট দূরে চারপাশে ২ ইঞ্চি চওড়া গর্ত খুঁড়ে ১০ গ্রাম ইউরিয়া দিতে হবে। অবশ্য গর্ভে সমানভাবে ছিটিয়ে দিতে হবে।
৮. গাছ রোগাক্রান্ত হলে বা কীটপতঙ্গ দ্বারা আক্রান্ত হলে বনবিভাগ বা উদ্যানবিদ্যা বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রতিকারের ব্যবস্থা করতে হবে।

৯. দুই থেকে তিন বছর বয়সের গাছে বহু ডালপালা গজাতে পারে। সোজা সরল ডালটি রেখে বাকি ডাল ছেঁটে দিতে হবে। হেঁটে দেবার সময় ধারালো ছুরি বা কাঠি ব্যবহার করতে হবে যাতে ডাল কেটে বা চিড়ে না যায়।
১০. গাছ গরু, ছাগলের নাগালের বাইরে উঁচু হলে গাছের গোড়ার খাঁচা সারিয়ে ফেলতে হবে।
